সময়েরঘটনা
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ

শার্শার নারীদের পাশে দাঁড়াতে চান মুন্নি ইসলাম: লড়বেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে

A

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৮ অক্টোবর, ২০২৬

আপডেট: ২ মিনিট আগে

শার্শার নারীদের পাশে দাঁড়াতে চান মুন্নি ইসলাম: লড়বেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে

যশোরের শার্শা উপজেলায় অবহেলিত ও নির্যাতিত নারীদের পাশে দাঁড়ানো এবং সামাজিক শার্শার নারীদের পাশে দাঁড়াতে চান মুন্নি ইসলাম: লড়বেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করার প্রত্যয় নিয়ে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান মুন্নি ইসলাম। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম, পারিবারিক প্রতিকূলতা ও ত্যাগের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে সাধারণ মানুষের সেবায় ভূমিকা রাখতে চান তিনি।

মুন্নি ইসলাম উপজেলার ১০ নম্বর শার্শা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের যাদবপুর গ্রামের সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। তাঁর পিতা মোঃ আবুল হাসেম খান। নাভারনের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করে তিনি স্থানীয় মহিলা কলেজ থেকে ব্যবস্থাপনা বিভাগে স্নাতক (সম্মান) ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সফলতার সঙ্গে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি আইন পেশায় যুক্ত হওয়ার লক্ষ্যে সেন্ট্রাল ল কলেজের দ্বিতীয় বর্ষে অধ্যয়ন করছেন।

রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠার কারণে ছোটবেলা থেকেই রাজপথের সংগ্রামের সঙ্গে পরিচিত মুন্নি ইসলাম। তাঁর পরিবারকে বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। বিশেষ করে ২০১৪ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর ভাই মোঃ সুমন খানের অকাল মৃত্যু তাঁর জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে। এই শোক ও প্রতিকূলতাকে শক্তিতে রূপান্তর করে পরবর্তীতে ঢাকায় থাকাকালীন তিনি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সক্রিয় হন এবং রাজপথের বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। এছাড়া তিনি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সহ-সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন।

নিজের রাজনৈতিক লক্ষ্য ও আকাঙ্খার কথা জানিয়ে মুন্নি ইসলাম বলেন, "শার্শা উপজেলার অবহেলিত ও অসহায় নারীদের অধিকার রক্ষা এবং তাঁদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য। পারিবারিক নির্যাতন ও প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে বড় হওয়ার কারণে সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্ট আমি গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পারি। শার্শাবাসীর দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা পেলে আমি জনসেবায় নিজেকে পুরোপুরি বিলিয়ে দিতে চাই।"

স্থানীয়রা জানান, শিক্ষাগত যোগ্যতা, পারিবারিক ঐতিহ্য এবং রাজপথের সংগ্রামের কারণে শার্শার সাধারণ মানুষ ও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে মুন্নি ইসলামকে নিয়ে ইতিবাচক সাড়া দেখা যাচ্ছে।