সময়েরঘটনা
রবিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৬
সর্বশেষ

অবশেষে প্রতিমন্ত্রী অমিতের উদ্যোগে দুঃখ ঘুচল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্তদের

A

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আপডেট: ২ মিনিট আগে

অবশেষে প্রতিমন্ত্রী অমিতের উদ্যোগে দুঃখ ঘুচল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্তদের

সকলেই নিয়োগ পত্র পেয়েছিলেন কিন্তু অজ্ঞাত কারনে তাদেরকে দেয়া হয়েছিলোনা নিয়োগ পত্র। কিন্তু কেন কি কারনে এমন হলো তাদের সাথে যার উত্তর যখন কোথাও মিলছিলোনা ঠিক সেসময় তারা দারস্থ্য হয়েছিলেন বিদ্যুৎ জালানী ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের। বিষয়টি নিয়ে প্রতিমন্ত্রী অমিত কিছুই জানতেন না। তবে, সকলের সামনেই তিনি আশ্বস্ত করেছিলেন যত দ্রুত সম্ভাব বিষয়টির সুরহা করা হবে। যেই কথা সেই কাজ। ২৪ ঘন্টার মধ্যেই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে চূড়ান্ত সুপারিশ প্রাপ্তরা হাতে পেয়েছেন নিয়োগপত্র। এক চিলতেই হাসে ফুটেছে সকলের মাঝে।

খোঁজ নিয়ে যানা যায়, ২০২৫ সালের প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগে যশোর জেলায় চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হন ২৯০ জন প্রার্থী। এর মধ্যে ১৮৪ জন শুরুতেই নিয়োগপত্র পেলেও বাকি প্রার্থীদের নিয়োগপত্র না পাওয়ায় তৈরি হয় অনিশ্চয়তা। এ ঘটনায় গত ২৬ সেপ্টেম্বর যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীরা। তারা চূড়ান্ত সুপারিশের পরও নিয়োগপত্র না পাওয়ার কারণ জানানো এবং দ্রুত নিয়োগের দাবি জানান।

ঠিক এ সময় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রস্তুতি সভায় যোগ দিতে আসার পথে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের কাছে বিষয়টি তুলে ধরেন ভুক্তভোগীরা। তাদেরকে আশ্বস্ত করেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জি. এম. আলমগীর কবির জানান, মোট সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী ছিলেন ২৯০ জন। এর মধ্যে ২৭৭ জন প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেন। গত ৪ সেপ্টেম্বর ১৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। আজ আরও ৯২ জন প্রার্থীকে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। একজন প্রার্থীর বিষয়ে মামলা থাকায় তাঁর নিয়োগপত্র প্রদান স্থগিত রাখা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র দেওয়ার কার্যক্রম চলছিল। তবে যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের নির্দেশনায় বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তি করে নিয়োগপত্র প্রদান করা হয়েছে।

দীর্ঘ অপেক্ষা ও অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে নিয়োগপত্র হাতে পেয়েছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশপ্রাপ্তরা। প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের উদ্যোগে দ্রুত এ সমস্যার সমাধান হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে প্রার্থীদের মধ্যে। এ জন্য তারা প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।